এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ক্রিকেটে পদকের প্রত্যাশা থাকলেও আগেভাগে সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনাল নিয়ে ভাবতে চান না দলের প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ম্যাচটি। অনেকদিন পর টি-টোয়েন্টি খেলতে নামায়
প্রথম ম্যাচকে নিজেদের জন্য বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন তিনি। নকআউট ম্যাচে চাপ থাকবেই, সেটি সামলে নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে চান সালাউদ্দিন।
রোববার জাপানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমার মনে হয় যে আমাদের প্রথম ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। (বৃৃৃষ্টিতে ভেসে যেতে পারে) ম্যাচ হলে খুবই খুশি হবো। কারণ আপনি হঠাৎ করে ৫-৭ দিন ম্যাচ ছাড়া যখন সরাসরি ম্যাচ খেলবেন, আসলে খুব কঠিন হয়ে যাবে। আমার মনে হয় যে প্রথম ম্যাচটা আমাদের জন্য খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ওইখানে আমরা কীভাবে খেলছি, ওইখান থেকে পরেরটা চিন্তা করবো। আগেই পরেরটা, শেষের দিকে চিন্তা না করে আমাদের প্রথম ম্যাচটা নিয়ে আসলে ভাবা উচিত।’
মালয়েশিয়া সম্পর্কে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমার সবই জানা আছে। কারণ মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমি দীর্ঘদিন কাজ করেছি। আমার জানা আছে মালয়েশিয়া সম্পর্কে মোটামুটি। আর এ ধরনের টুর্নামেন্টে আসলে অঘটন হতেই পারে। কারণ উইকেটটা একই উইকেটে বারবার খেলা হয়। এখানে আসলে অনেক সময় টস একটা ফ্যাক্টর হতে পারে। এ কারণে বলবো যে প্রতিটা ম্যাচই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগেই জিতে যাওয়া উচিত না। খেলেই আমাদের জিততে হবে।  এভাবে আমরা মানসিক প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
শেষ মুহূর্তে দলে যোগ দেওয়া আলিস আল ইসলামের প্রভাব নিয়ে আলাদা করে কাউকে এগিয়ে রাখতে চান না এই কোচ। তার ভাষায়, ‘না, শুধু আলিস না। দেখেন, এখানে প্রতিটা খেলোয়াড়ই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কারো ব্যক্তিগতভাবে আমি বলবো না যে কে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কোনো একটা খেলোয়াড়ই আসলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেদিন দলের যে কৌশল হবে, সেই অনুযায়ী আমরা খেলবো।’
এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটকে আইসিসির নিয়মিত ইভেন্টের চেয়ে কোনোভাবেই হালকা করে দেখছেন না সালাউদ্দিন। বরং দেশের মানুষের প্রত্যাশার কারণে এটিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন তিনি।
সালাউদ্দিন বলেন, ‘না না, দেখুন, এটা নিয়ে আমরা কথা বলছি কারণ আমাদের মনে হয় যে এটা আরও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা যখন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলি, আসলে এটা শুধু ক্রিকেটার যারা, তারাই হয়তো সেটা নিয়ে খুব ফোকাস করে। কিন্তু এখানে পুরো দেশের মানুষ এটার দিকে তাকিয়ে আছে যে একটা পদক আমাদের জন্য। তআমার মনে হয় ছেলেদের ওই অনুপ্রেরণাটা আছে। এবং আমরাও জানি যে এটার গুরুত্ব কতটুকু। এবং সেটা নিয়ে আমরা আসলে কাজও করছি। আমাদের অনুপ্রেরণার কোনো অভাব নাই। আমরা ইনশাআল্লাহ ভালো করবো।’