ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দ্বিতীয় দিনে ৫৯ রান করতেই স্বাগতিকরা হারিয়েছে ৭ উইকেট। শেষ ১০ রানে বাংলাদেশ ৪ উইকেট হারিয়েছে।এর আগে প্রথম দিন শেষে ৩ উইকেটে ২১৩ রান করেছিল টাইগাররা। যদিও আলোর স্বল্পতায় পুরোদিনে খেলা হয়েছে কেবল ৭৪ ওভার।
দ্বিতীয় দিনে স্কোরবোর্ডে ৮ রান যোগ করতেই ফিরেছেন দুই ব্যাটার। অবশ্য তার আগে ২২০ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন আগেরদিন ৯৯ রানে অপরাজিত থাকা সাদমান ইসলাম।
এরপর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সিতে টেস্টে অভিষেক হওয়া স্পিনার জশুয়া বিশপের বলে তিনি এলবিডব্লিউ হয়েছেন। মিডল ও অফ স্টাম্প লাইনে থাকা বল প্যাডে আঘাত করার পর রিভিউ নিলেও কাজ হয়নি।
১৭ ইনিংস এবং ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর সেঞ্চুরি পাওয়া সাদমানের ইনিংস থামল অল্প সময়ের ব্যবধানে। ২২০ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর ২৩৪ বলে ১১ চারে ১০৫ রানে থেমেছে তার ব্যাট। তার খানিক বাদেই ফিরলেন তাওহীদ হৃদয়ও।
৪২ রান করে তিনিও বিশপের বলে বোল্ড হয়েছেন। আগেরদিন ক্র্যাম্পের শিকার হওয়ায় স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল হৃদয়কে। সাদমানের পর ক্রিজে এসে তিনি আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি।
এরপর থিতু হতে পারেননি বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটার। লিটন ও মেহেদি হাসান মিরাজের জুটি স্থায়ী হয়েছে ৩২ রান পর্যন্ত। মিরাজ ওয়ারিকানের আর্ম বলে বোল্ড হয়েছেন ১৫ রানে। নতুন বল পেয়ে ক্যারিবীয় পেসাররা গতি ও সুইং কাজে লাগিয়েছেন।
শামার জোসেফের ১৪১.২ কিমি গতির বলে নাঈম হাসান ৫ রান করে স্লিপে ক্যাচ দেন। তার বল পুরোপুটি মোকাবিলা না করে লিটন সিঙ্গেল নিয়ে হাসান মাহমুদকে স্ট্রাইকে পাঠান। ৬ রান করে তিনিও জোসেফের বলে ক্যাচ দিয়েছেন।
একইভাবে স্ট্রাইকে গিয়ে তাইজুল ইসলাম ওয়ারিকানের বলে কানা লাগিয়ে ক্যাচ দেন। শেষ ব্যাটার হিসেবে নামা শরিফুল ইসলাম পরের বলেই এলবিডব্লিউ। ফলে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ ২৭২ রানেই। ওয়ারিকান টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফাইফার (৫) নিয়েছেন। এ ছাড়া শামার জোসেফ ও জশুয়া বিশপের শিকার ২টি করে।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে অলআউট

